আমাদের অনেকেরই চুলের ক্ষেত্রে খুশকি একটা বড় ধরনের সমস্যা। শীতকাল এলেই এই খুশকির সমস্যা আরও বেড়ে যায়। তবে আগেকার সময়ে শুধু শীতকালের শুষ্ক আবহাওয়াতেই প্রায় সবারই এই খুশকির সমস্যা দেখা দিত বা আগের থেকে অনেকটাই বেড়ে যেত। কিন্তু বর্তমানে দিন দিন যা দূষণ বাড়ছে তাতে এই খুশকির সমস্যা প্রায় সারা বছরই লেগে থাকে। অত্যধিক চুল ঝরে পড়া কিংবা রুক্ষ চুল, এবং বিভিন্ন ধরনের স্ক্যাল্প ইনফেকশনের জন্য কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই এই খুশকি দায়ী থাকে। তাই এই খুশকি যদি ঠিক সময় মতো সমাধানহনা করা যায় তাহলে কিন্তু মাথার সমস্ত চুল খুব অল্প দিনেই ঝরে গিয়ে ঝরে গিয়ে মাথা ‘গড়ের মাঠ’ হয়ে যেতে পারে।
এই খুশকি থেকে বাঁচার জন্য বাজারে নানারকম শ্যাম্পু ও লোশন পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলিতে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক উপাদান থাকে যার প্রভাবে কিন্তু অনেক সময় উল্টে আমাদের চুলেরই অনেক ক্ষতি হয়। তাহলে আর কি উপায় আছে! হ্যাঁ অবশ্যই উপায় আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক বেশ এমন কিছু কার্যকরী ঘরোয়া উপায় যা দ্রুত খুশকি কমাতে সাহায্য করে। আর এ ক্ষেত্রে যে যে উপাদানগুলি প্রয়োজন হয় সেগুলোর দামও কিন্তু খুব অল্প। তাই এবার থেকে খুব কম খরচেই কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া এই খুশকির সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।
• পেঁয়াজের রস : -প্রথমে ভাল করে দুটো পেঁয়াজ বেটে নিন এবং তারপরে সেই পেঁয়াজ বাটা এক মগ জলে ভার করে মিশিয়ে নিন। তারপর মাথায় এই পেঁয়াজের রস লাগিয়ে ভাল করে মালিশ করুন। কিছু ক্ষণ পরেই মাথা হালকা গরম জলে ভাল করে ফেলুন। এ ভাবে যদি সপ্তাহে অন্তত দু’বার মাথায় পেঁয়াজের রস ভাল করে লাগাতে পারেন তাহলে খুশকির সমস্যা থেকে খুব দ্রুত উপকার পাবেন।
• নারকেল তেল : – নারকেল তেল ও খুশকি কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া যদি চুলের গোড়া ময়েশ্চারাইজ করতে চান তাহলে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন, এই নারকেল তেল খুশকি এবং স্ক্যাল্প ইনফেকশনের সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। সপ্তাহে যদি দু’বার চুলের গোড়ায় সামান্য উষ্ণ নারকেল তেল মালিশ করতে পারেন তাহলে খুব দ্রুত ফল পাবেন।
• টকদই :- খুশকির সমস্যা থেকে বাচঁতে টকদই খুব কার্যকরী। খুশকি দূর করতে টকদই মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে দু’বার এই ভাবে চুলে টকদই ব্যবহার করা যেতে পারে।
• টকদই: খুশকির সমস্যা থেকে যদি বাচঁতে চান তাহলে টকদই ও কিন্তু খুব কার্যকরী। টক দই নিয়ে তা মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। তারপর সেই টক দই মাথায় অন্তত ১০ মিনিট রেখে তা শুকিয়ে গেলে, ভাল করে তা ধুয়ে ফেলুন। যদি দেখেন যে খুশকির সমস্যা পুরোপুরি ভাবে দূর হয়নি।সপ্তাহে অন্তত দু’বার চুলে টকদই ব্যবহার করতে পারেন।
• লেবুর রস : – দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস নিন, তারপর তা অল্প জলের সঙ্গে একটু মিশিয়ে নিয়ে সেই মিশ্র মিশ্রণটি ভাল করে মিশিয়ে মাথায় ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ২-৫ মিনিট ম্যাসাজ করার পর চুল ধুয়ে ফেলুন। যতক্ষণ না এই খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর হচ্ছে, ততদিন প্রায় সপ্তাহে দু’বার এই ভাবে চুলে লেবু ব্যবহার করা যাবে।
• মেথি : – সারারাত মেথি জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে তা ছেঁকে নেওয়ার পর তা ভাল করে বেটে নিন। ছেঁকে যে জল বেরোবে তা কিন্তু ভুলেও ফেলে দেবেন না। এবার সেই বেটে নেয়া মেথি চুলের গোঁড়ায় অর্থাৎ মাথার ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে নিন। এই প্রলেপটা ঘণ্টা খানেক মাথায় রেখে দিয়ে তারপর চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। চুল ধুয়ে নেওয়া পর এবার মেথি ভেজানো জল দিয়ে আরেকবার একবার চুল ধুয়ে নিন। এ ভাবে যদি সপ্তাহে অন্তত দু’বার মাথায় মেথি-মালিশ করেন তাহলে খুব দ্রুত উপকার পাওয়া যাবে।
• রিঠা : – চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে কিন্তু রিঠার মতো কোনও জিনিস হয়না, এটা খুশকি কমাতে সাহায্য করে। রিঠা পাউডার বা রিঠা সিদ্ধ জল আগে মাথায় লাগিয়ে সেটাকে ঘন্টা খানেক ব্যবহার রেখে দিতে হবে । এ ভাবেই যদি আপনি সপ্তাহে অন্তত দু’বার রিঠা মাথায় লাগান তাহলে কিন্তু খুশকির সমস্যা থেকে দ্রুত উপকার পাবেন।
এই খুশকি থেকে বাঁচার জন্য বাজারে নানারকম শ্যাম্পু ও লোশন পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলিতে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক উপাদান থাকে যার প্রভাবে কিন্তু অনেক সময় উল্টে আমাদের চুলেরই অনেক ক্ষতি হয়। তাহলে আর কি উপায় আছে! হ্যাঁ অবশ্যই উপায় আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক বেশ এমন কিছু কার্যকরী ঘরোয়া উপায় যা দ্রুত খুশকি কমাতে সাহায্য করে। আর এ ক্ষেত্রে যে যে উপাদানগুলি প্রয়োজন হয় সেগুলোর দামও কিন্তু খুব অল্প। তাই এবার থেকে খুব কম খরচেই কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া এই খুশকির সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।
• পেঁয়াজের রস : -প্রথমে ভাল করে দুটো পেঁয়াজ বেটে নিন এবং তারপরে সেই পেঁয়াজ বাটা এক মগ জলে ভার করে মিশিয়ে নিন। তারপর মাথায় এই পেঁয়াজের রস লাগিয়ে ভাল করে মালিশ করুন। কিছু ক্ষণ পরেই মাথা হালকা গরম জলে ভাল করে ফেলুন। এ ভাবে যদি সপ্তাহে অন্তত দু’বার মাথায় পেঁয়াজের রস ভাল করে লাগাতে পারেন তাহলে খুশকির সমস্যা থেকে খুব দ্রুত উপকার পাবেন।
• নারকেল তেল : – নারকেল তেল ও খুশকি কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া যদি চুলের গোড়া ময়েশ্চারাইজ করতে চান তাহলে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন, এই নারকেল তেল খুশকি এবং স্ক্যাল্প ইনফেকশনের সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। সপ্তাহে যদি দু’বার চুলের গোড়ায় সামান্য উষ্ণ নারকেল তেল মালিশ করতে পারেন তাহলে খুব দ্রুত ফল পাবেন।
• টকদই :- খুশকির সমস্যা থেকে বাচঁতে টকদই খুব কার্যকরী। খুশকি দূর করতে টকদই মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে দু’বার এই ভাবে চুলে টকদই ব্যবহার করা যেতে পারে।
• টকদই: খুশকির সমস্যা থেকে যদি বাচঁতে চান তাহলে টকদই ও কিন্তু খুব কার্যকরী। টক দই নিয়ে তা মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। তারপর সেই টক দই মাথায় অন্তত ১০ মিনিট রেখে তা শুকিয়ে গেলে, ভাল করে তা ধুয়ে ফেলুন। যদি দেখেন যে খুশকির সমস্যা পুরোপুরি ভাবে দূর হয়নি।সপ্তাহে অন্তত দু’বার চুলে টকদই ব্যবহার করতে পারেন।
• লেবুর রস : – দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস নিন, তারপর তা অল্প জলের সঙ্গে একটু মিশিয়ে নিয়ে সেই মিশ্র মিশ্রণটি ভাল করে মিশিয়ে মাথায় ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ২-৫ মিনিট ম্যাসাজ করার পর চুল ধুয়ে ফেলুন। যতক্ষণ না এই খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর হচ্ছে, ততদিন প্রায় সপ্তাহে দু’বার এই ভাবে চুলে লেবু ব্যবহার করা যাবে।
• মেথি : – সারারাত মেথি জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে তা ছেঁকে নেওয়ার পর তা ভাল করে বেটে নিন। ছেঁকে যে জল বেরোবে তা কিন্তু ভুলেও ফেলে দেবেন না। এবার সেই বেটে নেয়া মেথি চুলের গোঁড়ায় অর্থাৎ মাথার ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে নিন। এই প্রলেপটা ঘণ্টা খানেক মাথায় রেখে দিয়ে তারপর চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। চুল ধুয়ে নেওয়া পর এবার মেথি ভেজানো জল দিয়ে আরেকবার একবার চুল ধুয়ে নিন। এ ভাবে যদি সপ্তাহে অন্তত দু’বার মাথায় মেথি-মালিশ করেন তাহলে খুব দ্রুত উপকার পাওয়া যাবে।
• রিঠা : – চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে কিন্তু রিঠার মতো কোনও জিনিস হয়না, এটা খুশকি কমাতে সাহায্য করে। রিঠা পাউডার বা রিঠা সিদ্ধ জল আগে মাথায় লাগিয়ে সেটাকে ঘন্টা খানেক ব্যবহার রেখে দিতে হবে । এ ভাবেই যদি আপনি সপ্তাহে অন্তত দু’বার রিঠা মাথায় লাগান তাহলে কিন্তু খুশকির সমস্যা থেকে দ্রুত উপকার পাবেন।

No comments:
Post a Comment